‘নাইজার, মালিতে ঈদের চাঁদ’, তাই চাঁদপুরে ৭ মুসল্লির ঈদ উদ্‌যাপন

ঈদের জামাতে সাত মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডেছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার মাত্র সাতজন মুসল্লি সৌদি আরবের আগেই ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মাইকে ‘ঈদ মোবারক’ ঘোষণা দিয়ে ওই সাতজন মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.)-এর ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারীরা এই জামাতে অংশ নেন।

ঈদ উদ্‌যাপনকারীদের ভাষ্য, আফগানিস্তানসহ আফ্রিকার দেশ মালি ও নাইজারে চাঁদ দেখার খবর পাওয়ায় তাঁরা ঈদ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত হন।

এ বিষয়ে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘নাইজার, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা গেছে। ইসলাম একটি বৈশ্বিক ধর্ম, চাঁদও একটি, তাই ঈদও একই দিনে হওয়া উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছি।’

তবে এ নিয়ে একই দরবার শরিফের ভেতরেই মতভেদ দেখা গেছে। দরবারের আরেক অনুসারী ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। যাঁরা নামাজ আদায় করেছেন, তারা চাঁদ দেখার তথ্যকে গ্রহণযোগ্য মনে করেছেন। কিন্তু আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, আফগানিস্তানে ওই সময় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ছিল না। তাই আমরা সেটি গ্রহণ করিনি।’