এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২০০টি, মহম্মদপুরে ১৩১টি, শ্রীপুরে ১২৩ ও শালিখা উপজেলায় ২২৪টি ঘর রয়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচ শর মতো ঘরে উপকারভোগীরা বসবাস করছেন। চলতি মাসের মধ্যেই বাকি ঘর উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের জন্য ৮২ একর খাস জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২০ সালের জুন মাস থেকে ‘ক’ তালিকাভুক্ত অর্থাৎ ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যেমন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য থেকে শুরু করে শিক্ষকসহ নানা শ্রেণি–পেশার মানুষের মাধ্যমে আবেদন সংগ্রহ করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই তালিকা যাচাই বাছাই করেন।

তবে মাগুরা জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করার আগে আরও যাচাই বাছাইয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন নাগরিক সমাজের কেউ কেউ।

জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ভূমিহীনমুক্ত বলছি। কারণ এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতে কেউ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পুনর্বাসন করা হবে।’

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, শহরে খাস জমিতে বসবাস করেন এমন ভূমিহীন মানুষ আছেন। তবে তাঁরা শহরের বাইরে এসব আশ্রয়ণ প্রকল্পে যেতে আগ্রহী নন। ফলে এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের পুনর্বাসন করা সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে, জমি আছে ঘর নেই বা অন্য প্রকল্পের দিকে জোর দিতে হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন