বুলবুলের বড় ভাই জাকারিয়া আহমেদ জানান, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তরের পর বেলা পৌনে দুইটার দিকে হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে নিহত শিক্ষার্থীর প্রথম দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর লাশ নরসিংদীতে এসে পৌঁছার পর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসংলগ্ন ভেলানগরের মাইক্রোস্ট্যান্ডে দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই বাবার কবরের পাশে তাঁর লাশ দাফনের উদ্দেশে রাত আটটার দিকে মাধবদীর খড়িয়া এলাকায় রওনা হন স্বজনেরা। সেখানে তৃতীয় দফা জানাজা শেষে রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

গত সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে গাজী-কালু টিলা লাগোয়া ‘নিউজিল্যান্ড’ এলাকায় বুলবুল ছুরিকাহত হন। পরে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত পৌনে আটটার দিকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে জেএসসি পাস করেন বুলবুল। এরপর শহরের সাটিরপাড়া কে কে ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন তিনি। পরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান। মেধাবী ছাত্র হওয়ায় বেশ কয়েকটি বৃত্তি পেতেন তিনি, যা দিয়ে তাঁর পড়াশোনার খরচ চলত। পরিবারের স্বপ্ন ছিল, বুলবুল চাকরি করে সংসারের হাল ধরবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন