জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাইমুড়ী উপজেলা থেকে মো. সাব্বির রাব্বী নামের এক তরুণ জাতীয় পরিচয়পত্রে মায়ের নাম সংশোধনের আবেদন করেন। আজ ছিল ওই আবেদনের শুনানির দিন। দুপুর ১২টার দিকে ওই তরুণ জেলা জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তার কক্ষে শুনানিতে উপস্থিত হন। তিনি মায়ের নাম সংশোধনের জন্য প্রমাণপত্র হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত তাঁর দাখিল পরীক্ষার একটি সনদ শুনানিতে উপস্থাপন করেন। নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন অনলাইনে সনদপত্রটি যাচাই করে দেখেন সেটি ভুয়া। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি ওই তরুণকে আটক করেন এবং পরে সুধারাম থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আবেদনকারী প্রমাণপত্র হিসেবে দাখিল পরীক্ষার সনদপত্র উপস্থাপন করলে নিয়মানুযায়ী তিনি যাচাই করেন। তখনই তাঁর জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে। আবেদনকারী মূল সনদে ‘রেহানা বেগম’ নাম পরিবর্তন করে ‘রেহানা আক্তার’ নামে একটি ভুয়া সনদপত্র তৈরি করেন।

মেজবাহ উদ্দিন আরও বলেন, ভুয়া সনদপত্রটি ধরা পড়ার পর আবেদনকারী জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাঁকে সুধারাম থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সাব্বির রাব্বী নামের এক তরুণকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।