ফরিদপুরের ভাঙ্গায় জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক জামায়াত নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনের তারাইল এলাকায় তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত নুর আলম মুন্সী (৪০) ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়ন জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি। তিনি আজিমনগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ত্রাসীরা হেলমেট পরে কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে আসে এবং কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে নুর আলমকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন নুর আলম বলেন, ‘আমি ফরিদপুর-৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনের নির্বাচনী হ্যান্ডবিল আনতে মোটরসাইকেল নিয়ে চান্দ্রা ইউনিয়নের মালিগ্রামের অফিসে যাচ্ছিলাম। পথে কল এলে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে ফোনে কথা বলছিলাম। তখন হেলমেট পরা কয়েকজন কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে আমার পাশে দাঁড়ায়। আকস্মিক আমার মাথায় এলোপাতাড়ি কোপ দেয় এবং বলে—তুই আর জামায়াতের প্রার্থীর কাজ করিস না। তারা সবাই হেলমেট পরে থাকায় আমি কাউকে চিনতে পারিনি।’
ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের বলেন, আজ দুপুরে মাথা ও শরীরে আঘাতের ক্ষত নিয়ে এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। তিনি চিকিৎসাধীন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাঙ্গা পৌর আমির মো. এনায়েত হোসেন বলেন, ‘আমাদের আজিমনগর ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি নুর আলম নির্বাচনী কাজের সময় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। আমরা এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম বলেন, ‘হামলার ঘটনায় মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্তে নেমেছি।’