মামলা সূত্রে জানা গেছে, মোশাহিদ রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মামলার আসামিদের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মোশাহিদ অন্যদের সঙ্গে শহরের উকিলপাড়া এলাকার উত্তরা কফি হাউসে বসে ছিলেন। এ সময় নোমান বখতসহ অন্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে গালাগাল করতে থাকেন।

তখন সেখানে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমেদ চৌধুরী ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ওরফে রিপন ছিলেন। তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় মোশাহিদকে মারধর করেন ও হত্যার হুমকি দেন নোমান বখত। পরে আসামিরা বের হয়ে কফি হাউসের সামনে অবস্থান নেন। কিছুক্ষণ পর কফি হাউস থেকে বের হয়ে পাশের একটি ভবনে আশ্রয় নেন মোশাহিদ রহমান। তখন নোমান বখতের নির্দেশে অন্যরা তাঁর ওপর হামলা চালান।

এ সময় তিনি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা শামীম আহমদ (২৩) ও ইব্রাহীম আলী (২৫) ছুরিকাঘাতে আহত হন। প্রথমে তাঁদের সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হামলার শিকার ও হামলাকারীরা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী জানিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বলেন, ‘অতর্কিত হামলায় মোশাহিদ রহমানসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ইব্রাহিম আলীর বাঁ চোখ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা চিন্তাও করতে পারিনি, মূল দলের একজন নেতার নেতৃত্বে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নোমান বখতের মুঠোফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন