মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৪ বছর বয়সী ওই নারী একটি পরচুলার কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার একটি গ্রামে ইসলামি জলসা শুনতে যান তিনি। সেখানে তাঁর সঙ্গে মিজানুর রহমানের দেখা হয়। আলাপচারিতার একপর্যায়ে মিজানুর ওই নারীকে জলসা থেকে কিছু দূরে একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান। সেখানে ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মিজানুর। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দিলীপ, সোহেল রানা ও নুর আলম। তাঁদের ভয়ে মিজানুর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলে ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এই তিনজন। পরে ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয় দুজন ভ্যানচালক তাঁকে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে যান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বজলুর রশিদ বলেন, ধর্ষণের শিকার ওই নারী চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেছেন। আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।