দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার কয়েকজন মৎস্যজীবী বলেন, প্রতিদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবার রাতে অন্য জেলেদের সঙ্গে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জেলে বুদ্ধ হালদার পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে বের হন। তবে রাতভর কয়েক দফা জাল ফেলে তেমন কোনো মাছ পাননি তিনি। শেষ রাতের দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অদূরে বাহির চর এলাকায় পদ্মা নদীর মোহনায় জাল ফেলে অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। পরে আজ ভোরে জাল গুটিয়ে নৌকায় তুলে দেখতে পান বড় দুটি পাঙাশ আটকা পড়েছে।

মাছ দুটি বিক্রির জন্য বুদ্ধ হালদার সকালেই দৌলতদিয়া ঘাট মাছ বাজারের কেসমত মোল্লার আড়তে যান। এ সময় ওজন করে দেখা যায়, একটি পাঙাশের ওজন প্রায় ২৮ কেজি এবং অন্যটির ওজন প্রায় ১৯ কেজি। পরে মাছ দুটি নিলামে তোলা হলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে চান্দু মোল্লা মাছ দুটি কিনে নেন।

default-image

চান্দু মোল্লা বলেন, তিনি ২৮ কেজি ওজনের পাঙাশটি ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৭ হাজার ৮০০ টাকায় এবং ১৯ কেজি ওজনের পাঙাশটি ১ হাজার ২৭৫ টাকা কেজি দরে ২৪ হাজার ৫০০ টাকায় কিনেছেন। এখন তিনি কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে লাভে মাছ দুটি বিক্রি করতে চান। এ জন্য তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছেন।

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, সাধারণত পানি বাড়ার সময় নদীতে বড় মাছ ধরা পড়ে। বর্তমানে পানি কমতে থাকলেও গতকাল বৃষ্টির কারণে কিছু মাছ ধরা পড়ছে। সরকারিভাবে অভয়াশ্রমের মাধ্যমে মাছ সংরক্ষণ করা দরকার। এ ধরনের বড় মা মাছ সংরক্ষণ করতে পারলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক উপকার হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন