রাজশাহী কেমন লাগছে জানতে চাইলে আলিশা প্রথম আলোকে বলেন, তিনি যেমন আশা করেছিলেন তার চেয়েও বেশি ভালো। বাংলা শিখেছেন কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছোট ছোট বাক্য শিখেছেন। কেমন আছ, ভালো আছ? ভাত খেয়েছ কি? ইত্যাদি। এখন আরও শেখার চেষ্টা করছেন।

জুলফিকার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাবা বেঁচে নেই। বিদেশি বউমা পেয়ে মা ফাইমা বেগম খুব খুশি। মায়ের সঙ্গে বেশির ভাগ সময় ইশারা-ইঙ্গিতে আলিশা ভাব বিনিময় করছে। পরিবারের সদস্যদের প্রতি আলিশা খুবই আন্তরিক।

default-image

জুলফিকার জানালেন, আলিশাকে তিনি স্যান্ড্রি বলে ডাকেন। আলিশা মালয়েশিয়ার একটি ভিসা এজেন্সিতে চাকরি করেন। বছর দুয়েক আগে মালয়েশিয়ায় কিছু বাংলাদেশি ভিসা–সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েন। তখন তিনি তাঁদের পাসপোর্টগুলো আলিশাকে দিয়েছিলেন। আলিশা সেই সমস্যার সমাধান করে দেন। সেই থেকেই তাঁদের সম্পর্ক। কথা বলতে বলতে এক দিন তিনিই প্রেমের প্রস্তাব দেন। আলিশা রাজি হয়ে যায়। দুই বছর প্রেমের পর আলিশার ইচ্ছাতেই রাজশাহীতে এসে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

জুলফিকার প্রায় ছয় মাসে আগে দেশে ফেরেন। এর দুই মাস আগে তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত মোতাবেক সম্প্রতি বাংলাদেশে আসেন আলিশা। ঈদের পর ১৪ জুলাই গায়েহলুদ ও পরের দিন তাঁদের বিয়ে হয়।

জুলফিকার বলেন, মানুষ হিসেবে তাঁর স্ত্রী খুবই ভালো। আলিশা আগে খ্রিষ্টান ছিলেন। বিয়ের আগে মুসলিম হন। মুসলিম রীতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। এখন তাঁদের বাড়িতে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবীদের ভিড়। আলিশা অনবরতই কথা বলে যাচ্ছেন। তিনি ভীষণ খুশি। জুলফিকারের সঙ্গে মালে ভাষায় এবং অন্যদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলছেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন