বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ড নিলে প্রতিরোধ করুন: আবদুল আউয়াল মিন্টু

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। আজ বিকেলেছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আমাদের দল থেকে বলা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছেন। যদি এমনটা হয়, তাহলে ভোটাররা তাঁদের প্রতিরোধ করুন। ভোট চাওয়ার অধিকার সব প্রার্থীর রয়েছে। কিন্তু এগুলো অনৈতিক ও আইনবিরুদ্ধ।’

আজ বুধবার বিকেলে ফেনী-নোয়াখালী সড়কের পাশে দাগনভূঞায় নিজের প্রতিষ্ঠিত দুলামিয়া কটন মিল প্রাঙ্গণে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, মানুষ যেসব সামাজিক হাতিয়ার আবিষ্কার করেছে, তার মধ্যে প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে নির্বাচন। এ নির্বাচনে সবার প্রতিযোগিতা করার অধিকার আছে। এটা কোনো শত্রুতা বা বৈরিতার বিষয় নয়। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সঠিক নেতৃত্বের হাতে দেশের দায়িত্ব অর্পিত হওয়া জরুরি। সঠিক নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব গেলে শান্তি নিশ্চিত হয়, অন্যথায় নয়।

দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে আমার মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আপিল করেছেন। তাঁর আইনজীবীর অভিযোগ, আমি দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা বলেছি। আমি এ বিষয়ে সহস্রাধিকবার বলেছি, হ্যাঁ, আমি দ্বৈত নাগরিক ছিলাম। আমার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ছিল, তবে বর্তমানে সেটা আমি পরিত্যাগ করেছি।’

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু আরও বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভিযোগ হলো—আমার নামে সাতটি অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে, যা আমি হলফনামায় গোপন করেছি। এটি ভুল–বোঝাবুঝি। আসল বিষয় হলো, আমাদের আলাইয়ারপুর গ্রামে একজন আছেন, তাঁর নাম আবদুল আউয়াল মিয়া। তাঁর বাবার নামও সফি উল্যাহ। পরে আমি কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর কমিশন নিশ্চিত হয়ে তাঁদের অভিযোগ থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।’

আবদুল আউয়াল মিন্টুর নির্বাচনী মিডিয়া সেলের সমন্বয়ক সাংবাদিক সলিম উল্যাহর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ কামরুল উদ্দিন, সদস্য গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া, হামিদুল হক, কবির আহম্মদ এবং দাগনভূঞায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।