সংবাদ সম্মেলনে মুহিবুর বলেন, পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই জগ প্রতীকের সমর্থনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এটা দেখে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। তবে প্রশাসনের ওপর তাঁর শতভাগ আস্থা আছে। এরপরও একটি কিন্তু থেকে যায়। এ জন্য সবাইকে সচেতন করতেই সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে কেউ যেন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করতে না পারেন, সে জন্য মুহিবুর রহমান স্থানীয় প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতি শুরু হলে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএমের প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাবে। তাই বিশ্বনাথে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম পৌরসভা নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। বিভিন্ন মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা কালো টাকা বিলানো শুরু করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্তাজ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফারুক আহমদ, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সফজ্জুল আহমদ, বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুস শহীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কালোটাকা বিতরণের কোনো অভিযোগ পাইনি। কোনো প্রার্থীই মৌখিক বা লিখিতভাবে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে করেননি। এটা একধরনের গুজব। তবে মেয়র প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। নির্বাচনী আচরণবিধি কেউ লঙ্ঘন করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, পৌরসভার মোট ভোটার ৩৫ হাজার ৪৭০ জন। মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬০ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আজ সোমবার রাত ১২টায় নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে। মেয়র পদের প্রার্থীরা হলেন ফারুক আহমদ (নৌকা), মুহিবুর রহমান (জগ), জালাল উদ্দিন (হ্যাঙ্গার), মুমিন খান (মোবাইল ফোন), মোহাম্মদ শিব্বির খান (খেজুর গাছ), ফয়জুল ইসলাম (চামচ) ও সফিক উদ্দিন (নারকেল গাছ)।