শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষককে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছেন এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
ওই শিক্ষকের নাম মোবারক হোসেন ওরফে এমরান (৪৫)। তিনি স্থানীয় একটি ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক। ওই মাদ্রাসারই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল শিশুটি। পাশাপাশি মোবারক হোসেনের বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ত সে।
ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে সুধারাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ মোবারক হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে শিশুটি পড়াশোনায় অমনোযোগী ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। জিজ্ঞাসার এক পর্যায়ে পরিবারের সদস্যের সে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ে পড়লে এলাকাবাসী অভিযুক্ত মোবারককে ধরে পিটুনি দেন। পরে পুলিশ সোপর্দ করেন। পুলিশ ওই মাদ্রাসাশিক্ষককে আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
জানতে চাইলে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষক মোবারক হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।