‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে’ ফরিদপুর জিলা স্কুলের প্রাক্তণেরা
ফরিদপুর জিলা স্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা ৩টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত আনন্দমুখর ও জমজমাট আয়োজনে মুখর ছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্মৃতির টানে প্রিয় প্রাঙ্গণে’।
গতকাল বেলা তিনটার দিকে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন। এতে ২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১২টি ব্যাচের ১২টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। ধারাবাহিক এ প্রতিযোগিতা ২৫ মার্চ শেষ হওয়ার কথা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিলা স্কুলের প্রাক্তণ শিক্ষার্থী ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হকি খেলোয়াড় মাহাবুব হারুন।
বিকেল পাঁচটার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘অনুরণন’ নামে বইয়ের আকৃতির একটি ভাস্কর্যের উদ্বোধন করা হয়। করিম গ্রুপের সৌজন্যে নির্মিত এই ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেন জিলা স্কুলের সাবেক ছাত্র ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদুল হাসান। সন্ধ্যায় গত ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তি আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন ব্যাচের প্রধানদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে ১৮ মার্চ শুরু হয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এতে ১৯৯৭ সালের একটি ব্যাচসহ মোট ১৬টি ব্যাচ অংশ নেয়। টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ১৮ ব্যাচ এবং রানার্সআপ হয় ১৭ ব্যাচ। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন ১৮ ব্যাচের রাজ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ১৮৫তম পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্যসচিব ওয়াহিদ মিয়া, ঈদ পুনর্মিলনী আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান, সদস্যসচিব নিয়ামত উল্লাহ প্রমুখ।
রাত সাড়ে আটটার দিকে বসে কাওয়ালির আসর। গান পরিবেশন করে ‘সুফি’ নামের কাওয়ালি দল। সুরের এ মূর্ছনা শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তাঁরা স্মৃতিচারণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে মেতে ওঠেন। অনেক দিন পর প্রিয় বন্ধুদের পাশে পেয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।