অভিযান সূত্রে জানা যায়, টঙ্গীর বড় দেওড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন করে আসছিল ‘ইয়াম্মী ফুড বেভারেজ’ নামের একটি কারখানা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুরে কারখানাটিতে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকারের একটি দল। অভিযানের সময় কারখানাটিতে ‘রোবো ড্রিংকস’, ‘ওরেঞ্চকো ড্রিংকস’, ‘ফ্রুটি ম্যাংগো ড্রিংকস’সহ বিভিন্ন নামে অনুমোদনহীন পানীয় পাওয়া যায়।

এ ছাড়া উৎপাদিত পণ্যে ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযান পরিচালনাকারীদের বরাতে জানা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব শিশুখাদ্য উৎপাদনের পর সেসব সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হচ্ছিল অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে। পরবর্তী সময়ে কারখানাটিকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে কারখানাটিকে সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশসহ কেন প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল বা অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক আবদুল জাব্বার। এ সময় কয়েকজন কর্মকর্তাসহ টঙ্গী পশ্চিম থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আবদুল জাব্বার বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ১১টি শিশুখাদ্যসহ বিভিন্ন পানীয় উৎপাদন করে। এসবের একটি পণ্যেরও বিএসটিআইয়ের অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পণ্যগুলোও তৈরি করা হচ্ছিল চরম অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। এ ছাড়া ওজনে কম দেওয়া, ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারসহ অন্যান্য অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা আদায় করা হয়। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান তিনি।