আটক ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ১৯ নম্বর ক্যাম্পের ‘বি’ ব্লকের রহিম উল্যাহ (৭০), তাঁর স্ত্রী রুকিয়া বেগম (৫৫) ও বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের বরইচতাল গ্রামের আহসান উল্ল্যার ছেলে জাবেদ হোসেন (৩০)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের চিহ্নিত মাদক কারবারি আবুল কালাম ওরফে জহির দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার থেকে পাইকারি মূল্যে ইয়াবা এনে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। সকালে তাঁদের ইয়াবার একটি চালান কক্সবাজার থেকে আসছে— এমন খবরের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জের সুরের পোল এলাকার একটি রেস্তোরাঁর সামনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সকাল দশটার দিকে কক্সবাজার থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি গাড়ি গতিরোধ করে তল্লাশি করা হয়। এ সময় বাসে পাশাপাশি সিটে বসা এক নারী ও এক পুরুষকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাঁরা নিজেদের ‘রোহিঙ্গা’ বলে পরিচয় দেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা একটি প্যাকেট থেকে ১ হাজার ৩০০ ইয়াবা বড়ি জব্দ এবং তাঁদের দেওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে বাস থেকে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।