পুড়ে যাওয়া বাসটির হেলপার কবীর হোসেন জানান, রিজার্ভ হিসেবে বাগেরহাটে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে বাসটি (সিলেট-জ-১১-০৭২৯) সাতক্ষীরা-খুলনা সড়কের কাটিয়া আমতলা মোড়ে রাখা হয়। বাসটির সামনে একটি ট্রাকও দাঁড়িয়ে ছিল। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে বাসটি পানি নিয়ে পরিষ্কার করছিলেন তিনি। দরজা খোলা রেখে বালতিতে করে পার্শ্ববর্তী ট্যাপ থেকে পানি আনতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে দেখেন বাসটিতে বাসটি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে আগুন নেভানোর আগেই বাসটির ভেতরের সিট, ইঞ্জিনসহ ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

বাসটির মালিক সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ। তিনি বলেন, আগামী ৩ ডিসেম্বর জেলা বাস মালিক সমিতির নির্বাচন। এটাকে কেন্দ্র করে শক্রতামূলকভাবে কেউ আগুন দিতে পারে। রাজনৈতিক কারণেও কেউ আগুন দিতে পারে। এ ছাড়া বাসটির কর্মীদের রাখা মশার কয়েল থেকে আগুন লাগতে পারে। কীভাবে আগুন লেগেছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। পুলিশ তদন্ত করে মূল কারণ বের করতে পারবে বলে তিনি মনে করছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিয়াদ ফকরুল আলম খান বলেন, বাসমালিক গোলাম মোর্শেদ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তদন্তে বের হয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা কী। ইতিমধ্যে তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন।