স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, অভিযান শেষে ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে সেখানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীরা হাজির হন। এ সময় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পূর্ব পাশে ‘রায়ঘাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রধান কার্যালয়’ লেখা–সংবলিত ব্যানার ঝুলিয়ে দেন তাঁরা। এর পাশেই আরেকটি ব্যানারে লেখা আছে ‘৩ নম্বর রায়ঘাটি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের প্রধান কার্যালয়’।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন, ইউনিয়নে ছাত্রলীগের দুটি কমিটি চলমান। একটির তিনি সভাপতি। তাঁর কমিটির কেউ এই কাজ করেননি। অন্য পক্ষ করতে পারে। ছাত্রলীগের অন্য একটি কমিটির সভাপতি রানা হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলে করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আ. রাজ্জাক বলেন, সেখানে তাঁর ছবি দিয়ে ব্যানার টানানোর কথা শুনেছেন। তাঁকে জানিয়ে এটা করা হয়নি।

যুবলীগের ব্যানারের বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন কবিরাজ বলেন, ব্যানারের বিষয়ে তিনি জানেন না।

সড়ক ও জনপথ উপবিভাগ-২ রাজশাহীর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহ্ মো. আসিফ বলেন, তাঁরা উচ্ছেদ করে এসে শোনেন, সেখানে দুটি ব্যানার টানিয়ে জায়গা দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। এটা সরকারি জায়গা, এখানে কারও এ ধরনের কর্মকাণ্ডের এখতিয়ার নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন