ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার দিকে ব্যানার নিয়ে সড়কের পাশে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির বিশেষ সম্পাদক এস এম আসাদুজ্জামান রিপন। এ ছাড়া মানববন্ধনে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবদুল হালিম, জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মাহেবুল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কায়েস প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি বিদ্যুতের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদও জানাতে পারছি না। আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের ব্যর্থতা ও দুর্নীতি আড়াল করতেই পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে শান্তির নামে অশান্তি করতে চাচ্ছে তারা।’

এস এম আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশ শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের চেয়ে খারাপ হবে। কিন্তু দেশ শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো হোক, আমরা তা চাই না। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে এই সরকারকে নামাতে হবে।’

এদিকে একই সময়ে শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে অনুষ্ঠিত শান্তি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মু. সাদেক কুরাইশী। এতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আ স ম গোলাম ফারুক, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল শাহ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে, তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। আমরা উন্নয়নে বিশ্বাস করি, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারে বিশ্বাস করি না।’