বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ফ্লাইট পৌঁছানোর প্রায় এক ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তল্লাশি চালিয়ে সরোয়ার হোসেনের কাছ থেকে দুটি স্বর্ণের বার ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে। বার দুটির ওজন ২৩৪ গ্রাম এবং অলংকারের ওজন ১০০ গ্রাম। এরপর ওই যাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কাস্টমসের কর্মকর্তারা। তাঁর বিভিন্ন সামগ্রী এবং পরিহিত কাপড়গুলো যন্ত্রের মাধ্যমে স্ক্যান করেও কিছু পাওয়া যাচ্ছিল না। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই যাত্রী স্বীকার করেন, আবুধাবিতে উড়োজাহাজে ওঠার আগে অন্তর্বাস ও জ্যাকেট পরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁর অন্তর্বাস ও জ্যাকেট গলানো অবস্থায় সোনার উপস্থিতি পায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দর কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সালেহ আহমদ বলেন, একজন যাত্রী ঘোষণা দিয়ে ২০০ গ্রাম সোনা পরিবহন করতে পারেন। এ জন্য তাঁকে সরকারিভাবে ট্যাক্স দিতে হয়। কিন্তু ওই যাত্রী সেটি করেননি।

সালেহ আহমদ বলেন, সরোয়ার হোসেনের কাছ থেকে উদ্ধার করা অন্তর্বাস ও কাপড়গুলো সিলেটের জিন্দাবাজারে পাঠানো হয়েছে। সেটি পুড়িয়ে পরে দেখা হবে কতটুকু স্বর্ণ রয়েছে। এ ঘটনায় সরোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।