বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শোভাযাত্রাটি জলেশ্বরীতলা, রোমেনা আফাজ সড়ক, নওয়াববাড়ি হয়ে সাতমাথা হয়ে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

এ সময় জার্সি পরে, শরীরে উলকি এঁকে, রং মেখে, নেচেগেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ব্রাজিল–ভক্তরা। তাঁরা স্লোগানে স্লোগানে ‘খোঁচা’ দিয়েছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সমর্থকদের। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া বেশিরভাগই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও তরুণ।
এর আগে বৃস্পতিবার আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকেরা ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা নিয়ে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ থেকে শোভাযাত্রা বের করেছিলেন।

ব্রাজিল সমর্থক আলোকচিত্রী তৌহিদ পারভেজ প্রথম আলোকে বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রায় আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। শোভাযাত্রায় দেড় হাজারের বেশি সমর্থক অংশ নিয়েছেন। ২০০ ফুট পতাকা ও ব্যান্ড পার্টি ছিল শোভাযাত্রার মূল আকর্ষণ।

শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া রাজাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ বলেন, ব্রাজিলের শোভাযাত্রার খবর জেনে যান আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা। তাই তাঁরা এক দিন আগেই শোভাযাত্রা বের করেন।

গতকাল আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকদের বের করা শোভাযাত্রায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং তরুণেরা প্রিয় দলের জার্সি গায়ে ও পতাকা হাতে অংশ নেন। আর্জেন্টিনার পাশাপাশি এ সময় তাঁদের হাতে ছিল বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা। শোভাযাত্রার সামনে এক সমর্থকের হাতে ছিল ডামি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি। শহর প্রদক্ষিণের সময় আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা ‘বেস্ট অব লাক আর্জেন্টিনা’ স্লোগান দেন।

শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া আর্জেন্টিনার সমর্থক সজল শেখ প্রথম আলোকে বলেন, ফুটবলের নান্দনিক নৈপুণ্যের কারণে এই দলের খেলোয়াড়রা তরুণদের কাছে প্রিয়।