আজ শুক্রবার সকাল ছয়টায় সূর্যের খরতাপ দেখে মনে হয়েছে দুপুর। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোদের তাপ আরও বাড়তে থাকে। নগর ও শহরতলির জনপদে ঘুরে দেখা গেছে, পিচঢালা সড়ক যেন আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রাস্তায় মানুষজনের চলাচল কমে গেছে। সড়কে হাতে গোনা কয়েকটি রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল করছে। কাঁচা বাজারে কেনাকাটাসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে মানুষজনকে বের হতে দেখা যায়নি। একই সঙ্গে প্রচণ্ড রোদে খেতখামারেও দিনমজুরদের কাজ করতে দেখা যায়নি।

রংপুর জিলা স্কুলের সামনে গাছের ছায়ায় মানুষজনদের বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। কারও কারও হাতে ছিল পানির বোতল। রিকশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকা নাসিরউদ্দিন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘এই গরমে রিকশাও কমে গেছে। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও রিকশা মিলছে না।’ নগরের মুন্সিপাড়ায় বিভিন্ন মোড়ে রিকশার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় বাজার করতে যাওয়া অনেককে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়েই অনেককে হেঁটে যেতে দেখা যায়। দোকানপাট খুললেও ক্রেতা নেই। নগরের বেতপট্টি, কেরানীপাড়া মোড়, শিমুলবাগ এলাকায় দিনমজুরদের ভিড় নেই।

জেলা সিভিল সার্জন শামীম আহমেদ বলেন, প্রচণ্ড খরতাপ ও গরম আবহাওয়ার কারণে সর্দি, জ্বর কাশির প্রবণতা বেড়ে গেছে। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। সেই সঙ্গে স্যালাইন পানি খাওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন