স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে রনিদের একতলা ভবনের জানালা দিয়ে আগুন ও ধোঁয়া দেখতে পান প্রতিবেশীরা। এরপর স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভান। ঘরের দরজা খেলা ছিল। বিছানায় পড়ে ছিল আছিয়া বেগমের লাশ। লাশের গলা কাটা ছিল এবং প্রায় পুরো শরীর পুড়ে গেছে। হাত ও পা পুড়ে বাঁকা হয়ে গেছে। পুড়েছে বিছানার চাদর, জাজিম, তোশক ও কাঁথা।
আশপাশের লোকজন জানান, আছিয়া একই গ্রামের এখলাছ শিকদারের মেয়ে। চার বছর আগে রনির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের আড়াই বছর বয়সের একটি ছেলে রয়েছে। দুই বছর ধরে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, শোনা যাচ্ছে রনির অনৈতিক সম্পর্ক আছে। সে কারণে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল। আছিয়া বেগমের সঙ্গে মাঝে একবার ডিভোর্স হয়, পরে আবার বিয়ে হয়।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দাম্পত্য কলহের কারণে রনি তাঁর স্ত্রীকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। ওই বাড়িতে শিশুটি নিয়ে শুধু স্বামী-স্ত্রী থাকতেন। রনি পালিয়ে গেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।