ওই চাকরিপ্রার্থীর নাম মো. আবদুল রাশেদ (২৮)। তাঁর বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা হেদাতীপাড়া গ্রামে। তিনি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এইচএসসি পাস করেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ‘পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক’ পদে রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় ওই চাকরিপ্রার্থীর বিকল্প ব্যক্তি অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আজ মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। মোট ৬০টি পদের জন্য সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে রাশেদ ছিলেন ‘পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক’ পদেরই প্রার্থী। মৌখিক পরীক্ষার সময় জেলা প্রশাসক আবদুল জলিলসহ বোর্ডের সদস্যরা সব প্রার্থীরই লিখিত পরীক্ষার খাতার সঙ্গে হাতের লেখা মিলিয়ে দেখছিলেন। খাতায় তিনি ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বেই রোগীটি মারা গেল’ অনুবাদটি সঠিক করেছেন। সেখানে হাতের লেখাও সুন্দর। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষায় তিনি বলতে পারেননি, লিখতেও পারেননি।

জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, আবদুল রাশেদ মৌখিক পরীক্ষায় কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছিলেন না। এ ছাড়া তাঁর লিখিত পরীক্ষার খাতার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময় হাতের লেখা অমিল পাওয়া যায়। এ অপরাধের জন্য ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ১৮৮ ধারা মোতাবেক ওই চাকরিপ্রার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, একজন ধরা পড়ার পর কয়েক পরীক্ষার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে কেটে পড়েছেন।

এ ছাড়া হাতের লেখার অমিল পাওয়ায় মৌখিক পরীক্ষার সময় আরেক প্রার্থীকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই পরীক্ষার্থীর নাম মো. মহিদুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার মধুখালী গ্রামে।