অধ্যাপক আ ন ম নৌশাদ খান বলেন, ডিবির প্রধান হারুন অর রশিদের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক আছে। হারুন গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে তাঁকে ফোন করে জানিয়েছেন যে চিকিৎসক মির্জা কাওসার এখন ডিবির হেফাজতে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মির্জা কাওসারের বাবার সঙ্গেও ডিবির পক্ষ থেকে ফোনে যোগাযোগ করা বলা হয়েছে বলে অধ্যক্ষ বলেন।

এ বিষয়ে জানতে আজ সকালে মির্জা কাওসারের বাবা মির্জা আবদুল হাকিমের‬ মুঠোফোনে কয়েকবার কল করলেও তিনি ধরেননি। তবে গতকাল বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের খরমপট্টি এলাকায় কাওসারদের ভাড়া বাসায় গেলে তিনি বলেছিলেন, তাঁর একমাত্র ছেলে কাওসার কোনো রাজনৈতিক দল বা অন্য কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন। ছেলে খুবই শান্ত স্বভাবের।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন নজরদারির পর চিকিৎসক কাওসারের বিরুদ্ধে অনেকটা জোড়ালো জঙ্গি–সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাঁকে শনিবার সন্ধ্যায় তুলে নেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীর সদস্যরা। বর্তমানে ডিবি হেফাজতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

১২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের খরমপট্টি এলাকায় কাওসারের মেডিক্স কোচিং সেন্টার থেকে তাঁকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি কিশোরগঞ্জ বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের জাফরাবাদ এলাকায় অবস্থিত প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে সেখানেই প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।