আহত স্কুলছাত্রীর চাচা বলেন, স্থানীয় লোকজন তাঁর ভাতিজিকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। বর্তমানে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আহত স্কুলছাত্রীর অভিযোগ, শহীদুল তিন–চার মাস ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি বিদ্যালয়ের সভাপতিকে জানানো হয়েছিল।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান কিছুদিন আগে দুই পরিবারকে ডেকে বৈঠক করেন। শহীদুলকে বকাঝকা করা হয়। আজ দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় ডাকবাংলো এলাকায় শহীদুল তার পথ আটকান। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান শহীদুল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঘটনার পর স্কুলের শিক্ষার্থীরা পুরো এলাকায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এতে সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকেরা ভোগান্তিতে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পুলিশ এসে শিক্ষার্থীদের বোঝান। পরে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাফিজা আক্তার এ্যানি প্রথম আলোকে বলেন, আহত স্কুলছাত্রীর বাঁ হাতের কবজিতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, ছাত্রীর অভিভাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক মাস আগে পুলিশ ফাঁড়িতে বসে বিষয়টির মীমাংসা করে দেওয়া হয়। তারপরও ছেলেটি এমন ঘটনা ঘটাল।

সেন্ট মার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনা শোনার পরপরই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে বখাটে শহীদুলকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে।