একপর্যায়ে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার রাতে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। পরে সেটি পাঁচ দফা দাবিতে পরিণত হয়। দাবিগুলোর মধ্যে মেডিকেল কলেজ এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, নিরাপত্তা জোরদার, হামলাকারীদের শনাক্ত ও হামলার ঘটনায় মামলা, জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের দাবি।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের দাবিগুলোর মধ্যে অধিকাংশই পূরণ করার কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া।

জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালেই হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা মেডিকেল এলাকায় পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করেছেন। হামলাকারীদের শনাক্ত করে দুটি মামলাও করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, পুলিশ প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতারা বৈঠকে বসেন। বৈঠকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাসে দেওয়া হলেও তাঁরা সব আসামিকে গ্রেপ্তারের আগপর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

ওসমানী মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়া পর্যন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সবাইকে গ্রেপ্তারের আগপর্যন্ত ধর্মঘট কর্মসূচি চলবে।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, দুই মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদেরও গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলমান রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন