বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, অভিযোগটি জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অভিযুক্ত অপর তিনজন হলেন জেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক ফারদিন সৃষ্টি, সদস্য হৃদয় ও মোহাইমিনুল মিরাজ।

লিখিত অভিযোগে তরুণী উল্লেখ করেছেন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এক মাস ধরে তাঁকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাবসহ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ ধরনের কার্যকলাপ করতে নিষেধ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

লিখিত অভিযোগে তরুণী উল্লেখ করেছেন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করতেন তিনি। একপর্যায়ে শেখ হাফিজ এক মাস ধরে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাবসহ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ কারণে বাধ্য হয়ে তিনি শেখ হাফিজকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। এতে শেখ হাফিজসহ তাঁর কয়েকজন অনুসারী রাস্তাঘাটে আজেবাজে কথা বলতেন। শেখ হাফিজের নির্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া (ফেক) আইডি খুলে ওই নেত্রীর ছবি সম্পাদনা করে আপত্তিকর হিসেবে উপস্থাপন করে ভাইরাল করা হয়। বিভিন্ন আজেবাজে লেখা পোস্ট করা হয়। পরে তাঁদের এ ধরনের কার্যকলাপ করতে নিষেধ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেন। প্রস্তাবে রাজি না হলে অসুবিধা আছে বলে অকথ্য গালিগালাজসহ ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। গত শনিবার শেখ হাফিজের অনুসারী মোহাইমিনুল মিরাজের সঙ্গে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দেখা হলে হুমকি দিয়ে বলেন, এখনো ছবি ভাইরালের কিছুই হয়নি, আরও হবে। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় থানায় আইনি সহায়তা চেয়েছেন ওই তরুণী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি খুবই বেদনাদায়ক। অভিযোগ মিথ্যা।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু জানি না। কেউ আমার কাছে অভিযোগ দেয়নি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন