মাগুরায় কলেজছাত্র হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৬ জনের যাবজ্জীবন
মাগুরায় কলেজছাত্র মেহেদী হাসান হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।
মেহেদী হাসান (২০) মহম্মদপুর উপজেলার মৌলভীজোকা গ্রামের রেজাউর রহমানের ছেলে। ২০১২ সালের ২৬ আগস্ট তাঁকে হত্যা করা হয়। ওই সময় জেলার একটি পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটে ডিপ্লোমা করছিলেন মেহেদী।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মৌলভীজোকা গ্রামের বাসিন্দা সেলিম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন একই গ্রামের রুমা পারভীন, মোমেনা খাতুন, আবীর হোসেন, সাইদুর রহমান, জাকির হোসেন ও মো. খালিদ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৬ আগস্ট রাতে মেহেদী হাসানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিবেশী সেলিম আজাদ ও তাঁর সহযোগীরা। পরে রাত তিনটার দিকে সেলিম আজাদের বাড়ির পাশে মেহেদীর লাশ পাওয়া যায়। মামলায় অভিযোগ করা হয় মেহেদীর সঙ্গে সেলিম আজাদের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেটি মেনে নিতে না পেরে সেলিম আজাদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মেহেদীকে হত্যা করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবুল বক্কার বলেন, আসামিদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেছেন।
তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, মেহেদী আত্মহত্যা করেছিলেন। কিন্তু এ ঘটনাকে হত্যা হিসেবে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষ্যদর্শী নেই, প্রমাণ নেই। উচ্চ আদালতে এ রায়ের বিষয়ে আপিল করা হবে।