মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই নারীকে তাঁর ছেলে সাইফুল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী রুমা বিভিন্ন সময় শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় তাঁরা মায়ের ঠিকমতো চিকিৎসা করাতেন না। ভরণপোষণের খরচও দিতেন না। এমনকি ঠিকমতো খেতেও দিতেন না বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

মামলার বাদী ওই নারী বলেন, ‘আমার ছেলে আর ছেলের বউ ঠিকমতো খেতে দেয় না। শরীর খুব খারাপ হলেও কখনো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় না। কিছু বললেই তারা ধরে মারে। ছেলের বউ কয়দিন আগে বঁটি দিয়ে কোপাতে গিয়েছিল। ৩৩ বছর হয়েছে স্বামী মারা গেছে। শত কষ্ট হলেও ছেলেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করিয়েছি। আজ সেই ছেলে ধরে মারে। আমি তো তার টাকা নিই না। আমি চাই, আমার ছেলে আমাকে দেখাশোনা করুক। একটু খেতে দিক।’

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো. সোহেল রানা বলেন, মামলার পর গতকাল রাতেই দুই আসামিকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। মাকে নির্যাতন কিংবা ভরণপোষণ না করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। পুলিশ এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।