প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবদুল মালেক। তিনি বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন নগরের তাজহাট থানা এলাকার রতন মিয়া (৩২) ও খোর্দ্দ তামপাট আদর্শপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম (২৬)। এ ছাড়া মোর্শেদা বেগম নামের এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।’

নিহত আইনজীবী আসাদুল হক রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির জ্যেষ্ঠ সদস্য ও সাবেক এপিপি ছিলেন। তাঁর দুই মেয়ে। বড় মেয়ে আশা হক অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী। করোনার সময় ছোট মেয়ে বগুড়া আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী আরফিন নাহারকে নিয়ে আসাদুলের স্ত্রী গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া ছড়ান এলাকায় থাকতেন। আর ধর্মদাস বার আউলিয়া এলাকার বাড়িতে আসাদুল হক একা থাকতেন।

২০২০ সালের ৫ জুন দুপুরে ধর্মদাস বার আউলিয়া এলাকার বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে আইনজীবীর হাতে ধরা পড়েন রতন। এ সময় আসাদুল হকের গলায় ও পেটে ছুরিকাঘাত করে দেয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে মারধর করে পুলিশে খবর দেন। পরে তাজহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় আসাদুল হকের ছোট মেয়ে আরফিন নাহার বাদী হয়ে ওই দিনই রতন ও সাইফুলকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরবর্তী সময় তদন্তে মোর্শেদা বেগমের নাম উঠে আসে। মোর্শেদা বেগম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রতনের মা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল মালেক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।’