স্থানীয় বাসিন্দা সোহবান গাজী ও নজরুল ইসলাম বলেন, ৮ জুলাই সন্ধ্যায় উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের রমজাননগর ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আবদুল বারী ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবদুল হামিদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের ৩০ জন আহত হয়ে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন।

ঘটনার দিন রাত আটটার দিকে আমির হোসেন শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও আবদুল কাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মারা যান।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ মুর্শিদ বলেন, সংঘর্ষে দুজন নিহত হওয়ার ঘটনায় আবদুল বারী শ্যামনগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ইউপি সদস্য আবদুল হামিদসহ ৭৩ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া মামলায় আরও ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে গ্রেপ্তার আবদুল হামিদ ও বাবলুর রহমানকে রাতেই র‌্যাব সদস্যরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন