আজ রোববার সকালে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসন মণ্ডল প্রথম আলোকে জানান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া এবং ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের ৫৩ জন নেতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর একটি চিঠি দেন। সেই চিঠিতে সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগও তুলে ধরা হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল, এক বছরের অধিক সময় ধরে সভা আহ্বান না করা, জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, দলীয় সভা-সমাবেশ ও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করাসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সভা আহ্বানের বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ১৩ নভেম্বর দলের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বরাবর একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে কোনো সভা না হওয়ায় দলের মধ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। কিন্তু এরপরও সভাপতি সভা আহ্বান না করায় গতকাল নেতারা নিজেরাই সভার আয়োজন করেন।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন বলেন, গতকাল সাধারণ সভায় কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইলিয়াস আহমেদের সভাপতিত্বে সভা শুরুর পর সভায় উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন।

কমিটি থেকে অব্যাহতির বিষয়ে মমতাজ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সভাটি করা হয়েছে আমাকে না জানিয়ে। সভাপতির পদ থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি জেলা কমিটির এখতিয়ারে নেই। এটি করতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি। বিষয়টি জানার পর আমি কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করেছি।’