বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ২০১৮ সালে অনুমোদন হওয়া প্রকল্পের প্রথম ধাপে ছয়টি আবাসিক হল নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৪টি স্থাপনার নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের শুরু থেকেই ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশফার রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে তার পূর্ণাঙ্গ মহাপরিকল্পনা নেই। শুরু থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। পত্রপত্রিকায় উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে প্রমাণসহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আগের মতো গাছ কেটে ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

আশফার রহমান আরও বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ-প্রকৃতি ও পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু কারও মতামতের কোনো তোয়াক্কাই করছে না প্রশাসন।

সংগঠনটির সহসাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলি বলেন, ‘আমরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন চাই। তবে সেটা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের মাধ্যমে। প্রাণ-প্রকৃতি বাঁচিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন হোক। কয়েকটি বিভাগের ক্লাসরুম নেই অথচ দুটি প্রশাসনিক ভবন থাকা সত্ত্বেও আরেকটি প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা বন্ধ হচ্ছে না।’

সমাবেশে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মাহমুদ। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি ইমতিয়াজ অর্ণব, সাধারণ সম্পাদক অমর্ত্য রায়সহ ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।