তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। মানুষে বলে চট্টগ্রাম বেশি উন্নত। কিন্তু আমি এই এলাকার রাস্তাঘাট, বাড়িঘর দেখে বলি, এই এলাকা চট্টগ্রামের চেয়ে বেশি উন্নত। গোটা দেশ আজ উন্নত। এখন বাংলাদেশে কোথাও আর কুঁড়েঘর দেখা যায় না। কুঁড়েঘর এখন কবিতায় পাওয়া যায়। কুঁড়েঘর এখন জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় আর যেসব কবি ৩০-৪০ বছর আগে কবিতা লিখেছেন, ওই কবিতায় পাওয়া যায়। এখন যদি কবিদের কবিতা লিখতে হয়, তাহলে পদ্মা সেতু নিয়ে, মেট্রোরেল নিয়ে কবিতা লিখতে হবে। কুঁড়েঘর নিয়ে আর কবিতা লেখা যায় না।’

বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘দেশে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা চাই, সব দলের অংশগ্রহণে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হোক। আমরা আশা করি, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তবে নির্বাচনের ট্রেন কারও জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে না। ২০১৪ সালে যেমন কারও জন্য ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল না, ২০১৮ সালেও নির্বাচনের ট্রেন কারও জন্য দাঁড়িয়ে ছিল না। সুতরাং ২০২৪ সালের শুরুতে যে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনের ট্রেনও কারও জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে না।’

default-image

বিএনপির সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আসলে বিএনপিকে নির্বাচনভীতি পেয়ে বসেছে। কারণ, ২০১৮ সালে সব দলের ঐক্য করে তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল এবং সেই নির্বাচনে মাত্র পাঁচটি আসন পেয়েছিল। এ জন্য তারা নির্বাচনকে ভয় পায়। সেই কারণে তারা নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমি বিএনপিকে এ ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে বরং জনগণের কাছে যাওয়ার অনুরোধ জানাব।’

আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে সুসংগঠিত। দলে যেভাবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করে, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বের আসনে বসানো হচ্ছে। দলে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দল সারা দেশে যেভাবে সুসংগঠিত, আগামী নির্বাচনেও ইনশা আল্লাহ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয় আসবে। এ জন্য বিএনপি শঙ্কিত।’

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ। জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সফুরা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, সদস্য ফারহানা আক্তারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন