নাটোর র‍্যাব ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, মনিরুলের অভিযোগ পেয়ে র‍্যাব তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, লালপুরের বিলমাড়িয়া এলাকা থেকে প্রতারকেরা এই ফাঁদ পেতেছে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতারকদের অবস্থান নিশ্চিত হন এবং অভিযান শুরু করেন। রাতেই বিলমাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে সাতজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বেলাল মণ্ডল (২৯), নাটোরের লালপুর উপজেলার মেহেদী হাসান (২৪), মোহন সরকার (১৯), শিমুল আলী (১৯), শাহ পরান সরকার (১৯), মো. রবি (২২) ও রুবেল মণ্ডল (৩২)। আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে ৯টি মুঠোফোন, ১৫টি সিম কার্ড, দুই বোতল ফেনসিডিল, একটি ডিভিআর সেট, নগদ ১৫ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

নাটোর ক্যাম্পের অধিনায়ক (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) ফরহাদ হোসেন বলেন, আটক তরুণদের কয়েকজন এর আগেও ইমো হ্যাকিংয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তাঁরা জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও এই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। তাঁরা র‍্যাবের কাছে দোষ স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে লালপুর থানায় মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক তরুণদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন।