খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বইগুলো গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার শ্যামল কুমার রায়ের দাবি, প্রতিষ্ঠানের নৈশপ্রহরী শাহাব উদ্দিন গোডাউন থেকে বইগুলো বিক্রি করে দিয়েছিলেন। সকালে বই উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানের গোডাউনে যান। এ সময় নৈশপ্রহরীকে জিজ্ঞাসা করলে প্রথমে অস্বীকার করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শাহাব উদ্দিন স্বীকার করেছেন, বন্যার পানিতে ভিজে যাওয়া কিছু বই তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন।

শ্যামল কুমার রায় বলেন, বইগুলো নৈশপ্রহরীর বিক্রি করার কথা নয়। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

default-image

সিলেট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বইগুলো গোয়াইনঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ওই উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদলি হয়ে গেছেন। বর্তমানে অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজার রয়েছেন।’

আবদুল ওয়াদুদ আরও বলেন, এখন পর্যন্ত জানা গেছে, নৈশপ্রহরী বইগুলো বিক্রি করেছেন। বইগুলো বন্যার পানিতে ভিজে গিয়েছিল। কিন্তু সেগুলো নৈশপ্রহরীর বিক্রি করার কথা নয়। একটি কমিটির মাধ্যমে নষ্ট বই একত্র করে বিক্রির পর সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ কাজিরবাজারে গিয়ে পিকআপভর্তি বই জব্দ করেছে। একই সঙ্গে পিকআপচালক ও এক ব্যবসায়ীকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন