আমির হোসেন মুন্সী চিরকুমার ছিলেন। গণনা করা টাকা আমিরের স্বজনদের কাছে জমা রাখা হয়েছে। ব্যাংকে যৌথ হিসাব খুলে ওই টাকা রাখা হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও পালিত মেয়ের বিয়ের খরচ ওই টাকা থেকে ব্যয় করার কথা উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ জুলাই আমির হোসেন মারা যান। তিনি একাই একটি ঘরে বসবাস করতেন। মৃত্যুর পর ১২ জুলাই ঘর পরিষ্কার করতে যান স্বজনেরা। এ সময় তাঁরা আলমারি খুলে দেখতে পান সেখানে টাকার বান্ডিল। পরে এলাকাবাসীকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর পুলিশ এসে ঘর তালাবদ্ধ করে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে টাকা গণনার সময় তিতাস থানা–পুলিশ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর নবী, আমির হোসেন মুন্সীর বোন মুর্শিদা বেগম, বড় ভাই আউয়াল মুন্সী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুজিবুর রহমান মুন্সী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সভা করে টাকা গণনার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ৪০ মিনিট মেশিনে টাকা গণনা করা হয়। এতে ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, ৩ লাখ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।

তিতাস থানার ওসি সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, টাকাগুলো গুনে আমির হোসেনের পরিবারের সদস্যদের কাছে দেওয়া হয়েছে৷

default-image

স্থানীয় লোকজন জানান, আমির হোসেন উপজেলার কড়িকান্দি বাজারে প্রবেশপথে বসতেন। সেখানে তাঁকে পথচারীরা টাকা দিতেন। নিজেও টাকা চেয়ে নিতেন। এর আগে উপজেলার গাজীপুর জিন্দা পীরের মাজারে থাকতেন। মাজারে আসা ভক্তদের কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিতেন। বিভিন্ন মাজারেও যেতেন। উদ্ধার হওয়া টাকার বান্ডিলগুলোর বেশির ভাগই ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন