সমাবেশে ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও নিহত সুব্রত সাংমার বড় ভাই সাইমন তজুর সভাপতিত্বে বক্তব্য দের বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির সাবেক পরিচালক নেত্র স্বপন হাজং, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মিয়া, আলম মিয়া, যুবলীগ নেতা ফারুক বাবু, লিটন হাজং, অন্তর হাজং, মানবাধিকারকর্মী রাখী দ্রং প্রমুখ। বক্তারা সুব্রত সাংমা হত্যায় জড়িত সব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

নিহত সুব্রত সাংমা কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বহেরাতলী গ্রামের মৃত সুধীর মানকিনের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইউপি নির্বাচনে বিরোধের জেরে ও সীমান্তে অবৈধ ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কুল্লাগড়ার রাশিমনি বাজারে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবদুল আওয়াল, তাঁর ভাই মো. শামীম মিয়ার নেতৃত্বে সুব্রত সাংমার ওপর দুই দফা হামলা চালানো হয়। এতে আহত হন সুব্রত সাংমা। ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ অক্টোবর তিনি মারা যান। হামলার ঘটনার পরদিন সুব্রত সাংমার বোন কেয়া সাংমা বাদী হয়ে থানায় চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল, তাঁর ভাই শামীম, মো. বদিউজ্জামান, সহযোগী খোকন মিয়া, ফরহাদ মিয়া, সোহেল মিয়া, হাকিম মিয়া, হুমায়ুন মিয়া, হৃদয় মিয়া, বিল্লাল হোসেনসহ ১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, সুব্রত সাংমা হত্যার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল আওয়ালসহ আট আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।