উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে পাঠানটুলা এলাকায় সড়কের বাঁ দিকে একটি একতলা ভবন পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চালতলা ও পাঁচতলাবিশিষ্ট দুটি ভবনেরও সম্মুখ অংশ ভেঙে ফেলা হয়। পরে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে ওই দুই ভবনের মালিকেরা নিজ উদ্যোগে দ্রুত বাকি অংশ ভেঙে ফেলার আশ্বাস দেন। একইভাবে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ডান অংশের আরও ছয়টি স্থাপনা বুলডোজার ও শ্রমিকদের সাহায্যে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে টংদোকান, বাসা ও বাণিজ্যিক ভবনের গেটসহ মোট ৩৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী আকবর জানান, নগরের পাঠানটুলা এলাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ জন্য লন্ডনী রোড ও পাঠানটুলা এলাকায় গত বৃহস্পতিবার থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করা হয়। এর অংশ হিসেবে ৯টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশাপাশি ছোট আরও বেশ কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। চারতলা ও পাঁচতলাবিশিষ্ট দুটি ভবনও অবৈধ স্থাপনার তালিকায় আছে। এ দুটি ভবনের একাংশ ভাঙা হলে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য মালিকেরা সুযোগ চান। পরে মালামাল সরিয়ে দ্রুত ভবন নিজ উদ্যোগে ভেঙে ফেলার আশ্বাস মালিকেরা দিলে সিটি কর্তৃপক্ষ এ দুটি ভবন পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেয়নি।

default-image

সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের লন্ডনী রোড, পাঠানটুলা ও মদিন মার্কেট এলাকার অংশে বহুতল ভবনসহ অন্তত দেড় শ অবৈধ স্থাপনা আছে। সওজের জায়গা দখল করে এসব স্থাপনা তৈরি করায় নগরে জলাবদ্ধতা, যানজটসহ বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে রাস্তা প্রশস্তকরণ ও ড্রেনেজের নির্মাণকাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ অভিযান শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে সড়কের অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে। এরপর উভয় পাশে নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের পাশাপাশি যানজট নিরসনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন