জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল

কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হামিদুর রহমানছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জামায়াত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান।

হামিদুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা রয়েছে। এ মামলার তথ্য গোপন করায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি সূত্র। তবে প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে তিনি আপিল করতে পারবেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘মনোনয়নপত্রে উল্লিখিত তথ্যে গরমিল থাকায় জেলার দুই আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ রয়েছে।’

কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ২৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কক্সবাজার-২ আসন থেকে মনোনয়ন জমা দেন সাতজন। এর মধ্যে জামায়াত প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলার মনোনয়ন এ আসন থেকে বাতিল হয়েছে।

বর্তমানে কক্সবাজার-২ আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা পাঁচ। তাঁরা হলেন বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিসের ওবাদুল কাদের নদভী, গণ অধিকার পরিষদের এস এম রোকনুজ্জামান খান ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম।

কক্সবাজার-১ আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

মনোনয়নপত্রের তথ্যে গরমিল থাকায় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম। এ আসনে মোট পাঁচজন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। বৈধ তিন প্রার্থী হলেন বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক, গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আবদুল কাদের।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে। ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে এসব আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে।