রেসমিনা হক দাবি করেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আগে সব সময় মেয়েদের হলে মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এটি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্য বলা যায়। তবে সম্প্রতি এ রীতি ভেঙে অনিয়মের মাধ্যমে ছাত্রীদের রোকেয়া হলের আসন দেওয়া হয়েছে। এসব আসন বাতিল করে আবারও মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছেন তিনি।

রেসমিনা আরও বলেন, ১৭ অক্টোবর তিনি একাই মেধার ভিত্তিতে আসন বণ্টনের দাবিতে হলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন। ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে তাঁর দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে তিনি অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে আসেন।

বেগম রোকেয়া হলের প্রাধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রেসমিনার দাবি যৌক্তিক নয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো মেধার ভিত্তিতেই আসন দিয়েছে। পলিটিক্যাল দু-একজন মেয়ে হয়তো কিছুটা অনিয়ম করেছে। কিন্তু আমরা মেধার ভিত্তিতেই আসন বরাদ্দ দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। আজ বৃহস্পতিবারের মধ্যে উপাচার্যের ক্যাম্পাসে আসার কথা ছিল। সে কারণে তাঁকে (রেসমিনা) বলা হয়েছিল, ২৬ তারিখ তাঁর দাবির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিন্তু উপাচার্য দেশে না আসায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়নি।’

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য আজ বিকেল পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মুহাম্মদ মহির উদ্দিনের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান।