একই মামলায় মো. ফারুক নামের অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় ফারুক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১২ মে গভীর রাতে সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের একটি ঘরের দরজা ভেঙে চারজন ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা এক মা ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে (১৩) টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসেন এবং মাকে বেঁধে গলায় ছুরি ধরে হত্যার ভয় দেখিয়ে আটক রাখেন। এরপর মায়ের সামনেই মেয়েকে ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে পরদিন সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মো. ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতুসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে একই বছর ১৩ আগস্ট সোনাগাজী থানার উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম ওই চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলার শুনানির সময় নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ও ফেনীর আদালতের সরকারি জ্যেষ্ঠ সহকারী কৌঁসুলি ফরিদ আহম্মদ হাজারী বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন আসামি পলাতক আছেন। তাঁরা গ্রেপ্তার হওয়ার বা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর রায় কার্যকর হবে।

মামলার পর তাঁদের তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে পালিয়ে যান তাঁরা। পলাতক তিন আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার বা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর রায় কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন