ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ফোয়াদের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৪৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৮৬ টাকা পাচারের অভিযোগে মামলা হয়েছে। সিআইডির করা মামলাটির তদন্তও করবে সিআইডি।

এ এইচ এম ফোয়াদ (৫২) ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বিলনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। তবে পরে তাঁকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০২১ সালের ১২ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাঁকে ২০১৬ সালের ১২ জুলাই ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকায় ছোটন বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি (পরে বহিষ্কৃত) ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে সিআইডির করা দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি ফোয়াদ। ওই মামলা এবং ছোটন বিশ্বাস হত্যা মামলা ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায়।

এ এইচ এম ফোয়াদের বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে হামলা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামচুল আলমের ওপর হামলা, জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক দীপক মজুমদারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ফোয়াদের বিরুদ্ধে যে আটটি মামলা রয়েছে, তার মধ্যে সাতটি মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি এ এইচ এম ফোয়াদ। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন