এজাহারে লেখা আছে, ফারদিন নূরের বাবা কাজী নূর উদ্দিনের করা জিডির পরিপ্রেক্ষিতে রামপুরা থানা-পুলিশের জেরার মুখে আয়াতুল্লাহ্ বুশরা (ফারদিনের বান্ধবী) জানান, ফারদিন ৪ নভেম্বর বাসা থেকে বের হওয়ার পর ওই দিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। প্রথমে তাঁরা দুজন সিটি কলেজ এলাকায় মিলিত হন এবং পরে নীলক্ষেত–ধানমন্ডি এলাকা ঘুরে বেড়ান। বিকেল পাঁচটার দিকে ‘ইয়াম চা ডিস্ট্রিবিউশন’ নামের একটি রেস্টুরেন্টে খাবার খান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ান। রাত ১০টার দিকে আয়াতুল্লাহ্ বুশরার সঙ্গে রিকশায় করে রামপুরা টিভি স্টেশন এলাকায় আসেন ফারদিন।

তিন দিন খোঁজাখুঁজির পর গত সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তিনি (কাজী নূর উদ্দিন) জানতে পারেন, তাঁর ছেলের লাশ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। খবর পেয়ে তাঁরা গিয়ে ছেলে ফারদিনের লাশ শনাক্ত করেন।

মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ধারণা করা হচ্ছে, ফারদিন নূরকে ৪ নভেম্বর রাত ১০টার পর থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত যেকোনো সময়ে রামপুরা এলাকা বা অন্য কোথাও হত্যাকারীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তাঁর ছেলের নিখোঁজ হওয়া ও মৃত্যুতে আয়াতুল্লাহ্ বুশরার ইন্ধন রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ অবস্থায় তাঁর ছেলের হত্যার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার নিশ্চিত করতে এজাহার দাখিল করেন তিনি।