মো. আনোয়ারুল হকের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মনিরুজ্জামান। এ সময় জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাহ্উদ্দিন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারুল হক বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর বারহাট্টার গোপালপুর এলাকায় উপজেলা বিএনপির সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ওই দিন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে সম্মেলন পণ্ড হয়ে যায়। ওই সম্মেলনের পরিবর্তিত তারিখ আজ সোমবার নির্ধারিত ছিল। সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ ওরফে প্রিন্সের প্রধান অতিথি ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেছ আলীর প্রধান বক্তা থাকার কথা ছিল। সম্মেলন সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বিএনপির পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে ১৩ নভেম্বর অনুমতি চাওয়া হয়। প্রশাসন শর্ত সাপেক্ষে মৌখিকভাবে দশাল কারিগরি কলেজ মাঠ এলাকায় অনুমতি দেয়। কিন্তু একই স্থানে যুবলীগ কর্মী সমাবেশের আয়োজন করায় সম্মেলন স্থগিত করতে হয়।

পরপর দুবার পরিকল্পিতভাবে বিএনপির সম্মেলন পণ্ড করা হয়েছে অভিযোগ করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আনোয়ারুল হক বলেন, সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। দেশব্যাপী বিএনপির চলমান শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে সরকার নানাভাবে বাধা দিচ্ছে। হামলা, মামলা, দিয়ে বিএনপির চলমান আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল কবির ওরফে খোকন বলেন, যুবলীগের কর্মী সমাবেশের তারিখ আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিএনপির জন্য উল্টো যুবলীগের কর্মী সমাবেশ পণ্ড হয়েছে।

বিএনপি সম্মেলনের জন্য পুলিশের কাছে কোনো অনুমতি চায়নি বলে দাবি করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফুল হক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘একই স্থানে দুই দলের কর্মসূচি থাকায় আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। তাই আমরা উভয় দলের নেতা-কর্মীদের বুঝিয়ে বিষয়টি সমাধান করেছি।’