গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ওই ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ অভিযুক্ত জাহিদকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে ওই ছাত্রী ও তাঁর স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়। ওই ছাত্রী বলেন, আজ তাঁর উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষা ছিল। সকালে বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশে তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় (ইজিবাইক) ওঠেন। ইজিবাইকে পেছনের আসনে বসেন ওই ছাত্রী। সেখানে তাঁর পাশে অপরিচিত এক যাত্রী বসেছিলেন। জাহিদও ওই ইজিবাইকের সামনে চালকের পাশে বসেছিলেন।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, কিছুক্ষণ পর ইজিবাইকটি থামিয়ে জাহিদ ওই ছাত্রীর পাশের যাত্রীকে তুলে দিয়ে তাঁর পাশে বসেন এবং ওই ছাত্রীর গালে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। তাঁর বাঁ দিকের গালে দুটি গভীর ক্ষত হয়েছে। ওই সময় রক্তে তাঁর জামা ভিজে যায়।

ওই ছাত্রীর স্বজনেরা অভিযোগ করেন, জাহিদ এলাকায় ‘মাদকাসক্ত’ হিসেবে পরিচিত। অষ্টম শ্রেণিতে ফেল করার পর জাহিদ আর পড়াশোনা করেননি। তিনি ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করছিলেন। কয়েক দিন আগে ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে জাহিদের বাড়িতে অভিযোগ করে। এরপর জাহিদ আরও বেপরোয়া হয়ে যান। এ ঘটনায় তাঁরা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

এ ঘটনার পর অভিযুক্ত জাহিদ হাসান এলাকাছাড়া। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।