গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে রিক্তা আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়। রিক্তার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জোতপাড়া গ্রামে। তাঁর স্বামী আবদুল্লাহ ইসতিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। আড়াই বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। দুজনে নগরের ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা লিয়াকত জোয়ারদার একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় আবদুল্লাহ ইসতিয়াক গ্রেপ্তার আছেন।

ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি উভয় পরিবারে জানাজানি হয়। ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারলে বিয়ে হবে। দুজনেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর তাঁদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর রিক্তাকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেনে নেয়নি।

রিক্তা আক্তারের বাবা লিয়াকত জোয়ার্দার এজাহারে এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইসতিয়াক মাঝেমধ্যে ছোটখাটো ঘটনা নিয়ে রিক্তার সঙ্গে ঝগড়াবিবাদ ও মারপিট করতেন। বাবার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে দিতেন না। গত শুক্রবার একটি কক্ষে তাঁর মেয়েকে শ্বাসরোধে মেরে জানালার গ্রিলে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে ইসতিয়াক ফোন করে তাঁদের জানান, রিক্তা গলায় ফাঁস দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন