উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আল আমিন শিকদার তাঁর স্ত্রী সাঈদা পারভীনের সঙ্গে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সরকারি কোয়ার্টারে থাকেন। সন্ধ্যায় তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে খেলতে যান। সেখানে আগে থেকে ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন উপজেলা পরিষদ–সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা শামিম হোসেন ও তাঁর ছেলে। আল আমিন শিকদার ইউএনওর গাড়িচালককে পাঠিয়ে খেলার মাঠ খালি করে দিতে বললে চালকের সঙ্গে তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ইউএনওর স্বামী আল আমিনও বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় আল আমিন শিকদারকে মারধর করেন শামিম ও তাঁর ছেলে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শামিমের বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, উপজেলা পরিষদ চত্বর–সংলগ্ন বাসায় ছেলে ও নাতিকে নিয়ে তিনি বসবাস করেন। বিকেলে উপজেলা পরিষদের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় ইউএনওর বাসার সামনের রাস্তায় গতিরোধকে হোঁচট খেয়ে তাঁর নাতি পড়ে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন ইউএনওর স্বামী। অসাবধানতাবশত তাঁর গায়ে ধাক্কা লাগে। সামান্য এ ঘটনার জেরে ইউএনওর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর ছেলে ও নাতিকে আটক করে পুলিশ। শামিম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য বলেও দাবি করেন তিনি।

ইউএনও সাঈদা পারভীন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার স্বামী শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি আমার সঙ্গে সরকারি কোয়ার্টারে থাকেন। বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বহিরাগত শামিম নামের এক ব্যক্তি এবং তাঁর ছেলে আমার স্বামীর ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

সোনাতলা থানার ওসি সৈকত হাসান বলেন, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে শামিম ও তাঁর ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। ইউএনও এ বিষয়ে মামলা দায়েরের কথা জানিয়েছেন।