নাজিরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাইনুল ইসলাম বলেন, হেমায়েত হোসেন খান বাগেরহাট সদরে এক ব্যক্তির সঙ্গে কবিরাজি করতেন। পরে টাকাপয়সা নিয়ে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হেমায়েত হোসেনের বিরোধ দেখা দেয়। ২০০৫ সালে বিরোধের জের ধরে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে হেমায়েত হোসেন খান পালিয়ে যান। ২০০৯ সালে বাগেরহাটে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হেমায়েত হোসেন খানের অনুপস্থিতেতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

হেমায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নাজিরপুর থানায় আসার পর থেকে পুলিশ তাঁর ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে থাকে। সম্প্রতি হেমায়েত হোসেনের মুঠোফোনের নম্বর পুলিশের কাছে আসে। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ আজ ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। হেমায়েত হোসেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। ওই বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজধানীতে কবিরাজি চিকিৎসা করতেন। সেখানে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেছিলেন।
বানিয়ারী গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ‘হেমায়েত হোসেন খান আমাদের পাশের গ্রামের। তাকে আমি চিনি। শুনেছি সে বাগেরহাটে একটি খুনের মামলায় জড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।’

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, হেমায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থানায় আসার পর তাঁর ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছিল। র‌্যাবের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তির নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। আজ শুক্রবার সকালে হেমায়েত হোসেনকে পিরোজপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সদর থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, এটা অনেক আগের মামলা। নথিপত্র না দেখে বলা সম্ভব নয়।