সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালিত একটি চিকিৎসা দল কাজ করবে। সার্বক্ষণিকভাবে চারটি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। এ ছাড়া কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন পরিচালিত দুই সদস্যের একটি চিকিৎসা দল ও দুটি অ্যাম্বুলেন্স চিকিৎসা সহায়তা দেবে।

অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, পরীক্ষা চলাকালে অভিভাবকদের অপেক্ষার জন্য শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ৯টি ওয়াটারপ্রুফ টেন্ট স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানে অভিভাবকদের বসার জন্য ২০০ করে চেয়ার থাকবে। ক্যাম্পাসে সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য ১২টি স্থানে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকছে। পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন আবাসিক হল, জিমনেসিয়াম ও অন্যান্য স্থানে সীমিত আকারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারী অভিভাবকদের অবস্থানের জন্য ছাত্রীদের জিমনেসিয়ামে সীমিত আকারে ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২৫, ২৬ ও ২৭ জুলাই যথাক্রমে সি, এ এবং বি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এক ঘণ্টার এই পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো পরীক্ষার্থী কক্ষের বাইরে যেতে পারবেন না। পরীক্ষার হলে মুঠোফোন, ক্যালকুলেটরসহ মেমোরিযুক্ত অন্য কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে রাখতে পারবেন না। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কক্ষের প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে।

চলতি বছর বিশেষ কোটাসহ মোট আসন ৪ হাজার ৬৪১। এর বিপরীতে মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৬৮টি চূড়ান্ত আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে এ ইউনিটে ৬৭ হাজার ২৩৭, বি ইউনিটে ৩৮ হাজার ৬২১ এবং সি ইউনিটে ৭২ হাজার ৪১০ জন পরীক্ষা দেবেন। ভর্তিসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন